শেরে বাংলার ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মারক বক্তৃতা: মুসলমানদের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন তিনি
শেরে বাংলার ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মারক বক্তৃতা

দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের জন্য পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রস্তাবক ও অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী মুসলিম জাতীয়তাবাদী নেতা শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ব্রিটিশ আমলে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে মুসলমানদের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন। তিনি সরকারি চাকরিতে মুসলমানদের জন্য ৫০ ভাগ কোটার বিধান করে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করায় দলে দলে মুসলমান শিক্ষিত হয় এবং তারা রাজনীতিতে মুসলিম জাগরণ ঘটান।

শনিবার রাজধানীতে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের জন্য পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রস্তাবক ও অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী মুসলিম জাতীয়তাবাদী নেতা শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের স্মরণে অনুষ্ঠিত এক স্মারক বক্তৃতায় এ কথা বলা হয়েছে। শেরে বাংলার ৬৪তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মুসলিম জাতীয়তাবাদী দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ এ বক্তৃতার আয়োজন করে। এতে স্মারক বক্তা ছিলেন কবি ও বুদ্ধিজীবী ইমরুল হাসান। তিনি শেরেবাংলার জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের নানা তাৎপর্যপূর্ণ দিক তুলে ধরেন।

ইমরুল হাসান বলেন, শেরে বাংলার রাজনীতি ছিল বাংলাদেশ কেন্দ্রিক এবং তিনি বাংলাদেশের মানুষের রাজনীতিই করেছেন। যেই কারণে ১৯৩৭ সালে তিনি ক্ষমতায় আসতে পেরেছেন। আর তিনি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর বেশ কিছু আইন করেছেন যেগুলো বাংলাদেশের মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শেরে বাংলার রাজনৈতিক গুণ তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজনীতিতে যে নানা দ্বন্দ্ব ও বিরোধ ছিল তার মধ্যে তিনি লিয়াজোঁ করতে পারতেন। তাকে হিন্দুরা বিশ্বাস করতো, মুসলমানরা বিশ্বাস করতো, এমনকি তফিসিলি হিন্দুরাও তার ওপর নির্ভর করতো। কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ দুই দলই বিশ্বাস করতো। সবাই ভরসা করতে পারতো বলেই তিনি সবার নেতা হতে পেরেছিলেন। তবে তার জীবনে কখনো ব্যত্যয় পাবেন না যে তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে রাজনীতি করেছেন বা বাংলাদেশের মুসলমানদের স্বার্থ বিরোধী কিছু করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন লে. কর্নেল অধ্যাপক ড. আকরাম আলী, মোস্তফা আনোয়ার খান, ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম, উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের নেতা আফজাল ওয়ার্সি, মোস্তফা আনোয়ার খান, মেজর মোহাম্মদ ইমরান (অব.) ও বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব জিহাদী ইহসান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির চেয়ারম্যান আব্দুল জাব্বার, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব গালীব ইহসান, সদস্য সাইদুল ইসলাম, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ, সহকারী সদস্য সচিব মো. আরিফুল ইসলাম, ফাহিম ফেরদৌস প্রমুখ।