উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী এবং বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে টরন্টোতে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় টরন্টোর বাংলা পাড়ার রেড হট রেস্টুরেন্টে কানাডাস্থ প্রবাসী বাঙ্গালীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ শোকসভায় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
শোকসভায় উপস্থিতি
সভায় উপস্থিত ছিলেন ফায়েজুল করিম, নওশের আলী, বনি আব্রাহাম, লিটন মাসুদসহ আরও অনেকে। বক্তারা তোফায়েল আহমেদের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
অনলাইনে বক্তব্য
শোকসভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন লিয়াকত সিকদার। তিনি বলেন, “১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাবেক মন্ত্রী ও নয়বারের সংসদ সদস্য হিসেবে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন দেশের জন্য নিবেদিত ছিল। তার প্রয়াণে জাতি একজন অভিজ্ঞ অভিভাবককে হারালেও তার কর্ম ও অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
বক্তাদের অভিমত
বক্তারা বলেন, তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নেতৃত্বগুণ ও জনসম্পৃক্ততা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
দোয়া ও মোনাজাত
সভায় তোফায়েল আহমেদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।



