ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির নতুন কমিটি: সম্ভাব্য নেতৃত্বের নাম আলোচনায়
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির নতুন কমিটি: সম্ভাব্য নেতৃত্বের নাম আলোচনায়

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ না হলেও নতুন নেতৃত্ব গঠন নিয়ে দলটির ভেতরে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগরের দুই নেতা সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি একজন টেকনোক্রেট কোটায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া মহানগর কমিটির তিন নারী নেতা সংরক্ষিত আসনের সংসদ-সদস্য হয়েছেন।

সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর লক্ষ্য

দলীয় সূত্র বলছে, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি আরও বাড়াতে চায় বিএনপি। সে লক্ষ্যেই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর কমিটি পুনর্গঠনের চিন্তাভাবনা চলছে।

গত ৯ মে কেন্দ্রীয় বিএনপিসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক ইউনিটের প্রায় ৯০০ শীর্ষ নেতার সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের ভাষ্য, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে বিভিন্ন ইউনিটে নতুন কমিটি গঠনেরও ইঙ্গিত দেন তিনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন মুখ আনার চিন্তা

দলীয় নেতারা জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে বর্তমান কমিটির পাশাপাশি নতুন মুখ আনার চিন্তাও রয়েছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য পদপ্রত্যাশীরা নিজেদের সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও ত্যাগের বিবরণ তুলে ধরে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। গুলশান কার্যালয় থেকে শুরু করে সচিবালয়ে মন্ত্রীদের কাছেও চলছে তদবির। কেউ কেউ আবার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শীর্ষ নেতৃত্বে আলোচিত নাম

সূত্রমতে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আলোচনায় রয়েছেন রফিকুল আলম মজনু, বর্তমান সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, যুগ্ম-আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং বিএনপি নেতা কাজী আবুল বাশারসহ আরও কয়েকজন। তবে দলীয় আলোচনায় তানভীর আহমেদ রবিন ও লিটন মাহমুদের নাম তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য, তানভীর আহমেদ রবিন রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অসংখ্য মামলার পাশাপাশি তার পুরো পরিবারকে কারা নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়েছে। দলের কঠিন সময়ে তিনি ও তার পরিবার নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন বলেও দাবি করেন তারা।

অন্যদিকে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক লিটন মাহমুদও নিজেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সম্মুখসারির কর্মী হিসেবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সম্মুখসারিতে ছিলাম। ২৮ অক্টোবরের পরবর্তী প্রেক্ষাপটে দলের দুর্দিনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমি ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেছি।

লিটন মাহমুদ আরও বলেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তে মিছিল ও পিকেটিং করেছি এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম।