ময়মনসিংহের গৌরীপুরে প্যারোলে মুক্তি পেয়েও মায়ের জানাজায় অংশ নিতে পারেননি যুবলীগ নেতা মজিবুর রহমান। তিনি বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই জানাজা শেষ হয়ে যায়। পরে মরদেহ বাড়িতে এনে রাখা হলে সেখানে তিনি মাকে শেষবারের মতো দেখেন।
মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তি
শুক্রবার (১৫ মে) মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে দুই ঘণ্টার জামিনে মুক্তি পান গৌরীপুর পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস মজিবুর রহমান। তিনি পৌর শহরের ঝলমল সিনেমা হল সড়ক মধ্যবাজার মহল্লার মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে।
মায়ের মৃত্যু ও জানাজা
মজিবুর রহমানের মা জাহেরা খাতুন (৯৩) বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি পাঁচ ছেলে, দুই মেয়ে, নাত-নাতিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মজিবুর রহমান তার চতুর্থ সন্তান। শুক্রবার জুমার নামাজের পর বড় মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
মজিবুর রহমানের বড় ভাই শাহজাহান জানান, প্যারোলে মুক্তির আবেদন ও কাগজপত্র প্রস্তুত করতে দেরি হওয়ায় জানাজার নামাজ শেষ হয়ে যায়। পরে মায়ের মরদেহ নিজ বাড়িতে এনে রাখা হয়।
পুলিশ প্রহরায় বাড়িতে আগমন
পুলিশ প্রহরায় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে নিজ বাড়িতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে আসেন মজিবুর রহমান। এ সময় আত্মীয়স্বজনদের কান্নায় চারপাশ ভারি হয়ে যায়। মাকে একনজর দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
গ্রেপ্তারের ঘটনা
২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পৌর শহরের ঝলমল সিনেমা হল সড়ক এলাকা থেকে মজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। ২২ ডিসেম্বর পুলিশ বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে। সেই থেকে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।



