ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলস্টেশনে স্টেশনমাস্টার শফিকুর রহমানের ওপর হামলা ও তাঁর কক্ষ ভাঙচুরের অভিযোগে সুমন মিয়া (২৪) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্টেশনমাস্টার বাদী হয়ে আখাউড়া রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তার সুমন মিয়া উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের রোওমান মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে কসবা থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
ঘটনার বিবরণ
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস কসবা স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। এ সময় ট্রেনের ইঞ্জিনে মাছের পোনা নিয়ে থাকা এক মৎস্যচাষির কাছ থেকে কে বা কারা ১০০ টাকা ভাড়া আদায় করেন। এ ঘটনা নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সুমন মিয়া স্টেশনমাস্টারের কক্ষে গিয়ে তাঁর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তিনি স্টেশনমাস্টারের ওপর হামলা করেন এবং কক্ষে থাকা কম্পিউটার, মনিটর, টেলিফোন, সিগন্যালিং যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন।
স্টেশনমাস্টারের বক্তব্য
স্টেশনমাস্টার শফিকুর রহমান জানান, প্রথমে সুমন মিয়া কক্ষে ঢুকে তাঁকে গালাগাল করেন। পরে হামলা চালিয়ে বিভিন্ন জরুরি জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। এতে স্টেশনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
পুলিশের পদক্ষেপ
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আটক তরুণকে দুপুরে আখাউড়া রেলওয়ে থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি আবদুল কুদ্দুস বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই কসবা থানা-পুলিশ সুমন মিয়াকে আটক করেছিল। পরে তাঁকে তাঁদের কাছ থেকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় স্টেশনমাস্টার বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।



