খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র সংগঠনের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসিত গ্রুপ) এক সদস্য নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার বাবুছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুজন চাকমা (৪৮) দীঘিনালার তারাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি এলাকায় সংগঠনের কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিবরণ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই সুজন চাকমার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, নিহত ব্যক্তি ইউপিডিএফ (প্রসিত গ্রুপ)-এর সদস্য ছিলেন। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত গোলাগুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি আরও বলেন, এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ইউপিডিএফ-এর অভিযোগ
এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রতিপক্ষ জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস-সন্তু লারমা) দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। সংগঠনটির সংগঠক অংগ মারমা দাবি করেছেন, জেএসএসের সদস্যদের গুলিতে সুজন চাকমা নিহত হয়েছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জেএসএসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



