বড়লেখার মুছেগুল গ্রামে বসতঘরে একা পেয়ে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল মালেক (২৯) গ্রেফতার হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতার ও মামলা
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর ভাই চান মিয়ার দায়ের করা মামলায় উপজেলার পানিধার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার মালেক একই গ্রামের আব্দুন নুরের ছেলে।
অভিযুক্তের পরিচিতি ও ঘটনার বিবরণ
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার আব্দুল মালেক বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক হলেও লম্পট প্রকৃতির লোক। তিনি ও ভুক্তভোগী কিশোরী পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করেন। কিশোরীর মা সৌদি আরব প্রবাসী। কিশোরী ও তার সৎভাই তানভির আহমদ বাড়িতে বসবাস করেন। তারা অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মা মনিজা বেগম সরল বিশ্বাসে বিদেশ হতে আসামির নিকট সংসারের খরচসহ বাজার করে দেওয়ার জন্য টাকা পাঠান। এই সুযোগে মালেক প্রায় সময় তাদের ঘরে যাতায়াত করত।
ধর্ষণের ঘটনা
গত ৩ এপ্রিল রাত ১০টার সময় ভাই তানভির আহমদ ঘরে না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত আব্দুল মালেক কিশোরীকে ঘরে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায়। এরপর হতে মালেক ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২ জুলাই রাত ১১টার দিকে মালেক বাজার নিয়ে কিশোরীর ঘরে যায়। ভাই তানভির আহমদ ঘরে না থাকার সুযোগে আসামি একইভাবে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ভুক্তভোগী কিশোরী স্বজনদের কাছে বিষয়টি জানায়।
পুলিশের বক্তব্য
বড়লেখা থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, ধর্ষণ মামলা রুজুর পর পরই অভিযান চালিয়ে পৌরশহরের পানিধার এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে আসামি আব্দুল মালেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



