চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মুক্তিপণ না পেয়ে সৌদি প্রবাসীর ছেলে রাফিজ মিয়া (১৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামি লাল্টু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এ তথ্য জানান। শুক্রবার ভোরে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির জামালপুর বাজার থেকে লাল্টুকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার লাল্টু মিয়ার বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদরের শিবপুর গ্রামে।
হত্যার ঘটনা ও গ্রেফতার
গ্রেফতারের পর লাল্টু মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত রশি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। পুলিশ সুপার জানান, রাফিজ মিয়াকে ৫ জুন সন্ধ্যায় কৌশলে ফোনে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়।
মুক্তিপণের দাবি ও হত্যাকাণ্ড
পরিবারের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ওইদিন রাতে কিশোর রাফিজকে সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খালের পাশে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে নির্যাতনের শব্দ শুনিয়ে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে মুক্তিপণের টাকা না পাওয়ায় একই দিন রাতে লাল্টু মিয়াসহ অন্যান্য আসামি রশি দিয়ে শ্বাসরোধে রাফিজকে হত্যা করে। পরে লাশ অর্জুন খালে ফেলে রেখে যায় তারা।



