প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া: পিআইও অফিস সহকারী কারাগারে
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া: পিআইও সহকারী কারাগারে

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া ও ব্ল্যাকমেইলের মামলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিসের সহকারী আব্দুল লতিফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তাকে ফেনী জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে পাঠানো হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বুধবার রাতে দাগনভূঞা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

ঘটনার বিবরণ

মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী প্রবাসী মীর হোসেন জানান, তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা। তার স্ত্রী মালেকা হোসেনের সঙ্গে প্রায় দুই বছর ধরে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন আব্দুল লতিফ। মীর হোসেন প্রবাসে থাকায় লতিফ এই সুযোগ নেন। তিনি মালেকাকে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করে কাছ থেকে অর্থ ও স্বর্ণ আত্মসাৎ করেন।

প্রতিকার চেয়ে ব্যর্থতা

২০২৪ সালে বিষয়টি জানতে পেরে মীর হোসেন দেশে এসে লতিফকে সম্পর্ক থেকে সরে আসার অনুরোধ জানান। এতে লতিফ ক্ষিপ্ত হয়ে মালেকাকে ভিডিও থাকার ভয় দেখান এবং সম্পর্ক না রাখলে ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দেন। নিরুপায় হয়ে মীর হোসেন দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক, জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা ও দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর অভিযোগ দেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় লতিফ আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনি পদক্ষেপ

শেষ পর্যন্ত মীর হোসেন ফেনী জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত লতিফের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

দাগনভূঞা উপজেলা দুর্যোগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রবিউল হোসেন যুগান্তরকে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জেলা দুর্যোগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম জানান, বিষয়টি নিয়ে অবগত আছেন এবং অফিসিয়ালি অধিদপ্তরে রিপোর্ট পাঠানো হবে। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, জেলা ও উপজেলা অফিসকে দ্রুত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে।