রাজধানীর পল্লবী এলাকায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা অপরাধ স্বীকার করে জেল আপিলে হাইকোর্টে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তার জেল আপিলে দাবি করা হয়েছে, মাদকাসক্ত অবস্থায় এবং তীব্র আর্থিক সংকট ও পারিবারিক কলহের কারণে এই ঘটনা ঘটে।
আপিলে যা বলা হয়েছে
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা তার জেল আপিলে আদালতের কাছে দয়া প্রার্থনা করে তার একমাত্র সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং পরিবারের দুর্দশার কথা উল্লেখ করেন। রোববার জেল আপিলের নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আপিলে সোহেল রানা বলেন, তিনি আর্থিকভাবে দেউলিয়া ছিলেন এবং একটি অটোরিকশা গ্যারেজে মেকানিকের কাজ করতেন। তিনি ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকে আসক্ত ছিলেন এবং তার আসক্তি প্রায়ই পারিবারিক কলহের কারণ হতো।
তিনি আরও দাবি করেন, তার আগে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না এবং ঘটনাটি মাদকাসক্ত অবস্থায় ঘটে।
মাদকাসক্তির অজুহাত
আপিলে সোহেল রানা বলেন, “আমার আর্থিক সমস্যা, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকাসক্তির কারণে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত ও অবচেতনভাবে ঘটে। আমি বুঝতে পারছি না এটি কীভাবে ঘটল।”
তিনি রায়ের মেয়াদ কমিয়ে দেওয়ার জন্যও আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমার পরিবারের দেখাশোনা বা আমার একমাত্র ছেলের শিক্ষার খরচ বহন করার কেউ নেই। আমি ভুল করেছি এবং ক্ষমা চাইছি।”
সহ-আসামির অবস্থান
অন্যদিকে, সোহেল রানার স্ত্রী ও একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সহ-আসামি স্বপ্না আখতার তার জেল আপিলে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন।



