মাদারীপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় ১৪ বছরের কারাদণ্ড
মাদারীপুরে কিশোরী ধর্ষণে যুবকের ১৪ বছর কারাদণ্ড

মাদারীপুরের রাজৈরে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ মামলায় নাফিজ মোল্লা নামে এক যুবককে সাড়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণা

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে মাদারীপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক আ.স.ম শহীদুল্লাহ কায়সার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নাফিজ মোল্লা রাজৈর উপজেলার পূর্বকান্দি শাখারপাড় গ্রামের মতিয়ার মোল্লার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মো. সাইফুল কবীর।

মামলার বিবরণ

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ ভোরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় ওই কিশোরীকে অপহরণ করে নাফিজ ও তার সহযোগীরা। পরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা হয়। অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার ও নাফিজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে ঘটনার দুদিন পর ২৩ মার্চ রাজৈর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় নাফিজ ও তার মা শাহানা বেগমকে আসামি করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চার্জশিট ও রায়

এরপর রাজৈর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক এখতিয়ার আহম্মেদ ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ নাফিজকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন। যুক্তিতর্ক ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি নাফিজকে সাড়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি নাফিজের মা শাহানা বেগমকে মুক্তি দেন বিচারক।

প্রতিক্রিয়া

মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মো. সাইফুল কবীর বলেন, 'এই রায়ে মামলার বাদী ন্যায় বিচার পেয়েছেন। তারা এ রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষও সন্তুষ্ট হয়েছি। দ্রুত এই রায় সম্পন্ন করতে তদারকি চালানো হবে।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ