জৈন্তাপুর ইউপি চেয়ারম্যানের মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত কমিটি গঠন
জৈন্তাপুর ইউপি চেয়ারম্যানের মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইন্তাজ আলীর মাদক সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গত বৃহস্পতিবার রাতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

ভাইরাল ভিডিও ও এলাকায় প্রতিক্রিয়া

ইউপি চেয়ারম্যান হওয়া সত্ত্বেও ইন্তাজ আলীর মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ৪৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে মাদক সেবন করতে দেখা যাচ্ছে। ভাইরাল হওয়া পাঁচ মিনিটের অপর একটি ভিডিওতে মাদক সেবনের আগে প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় ইন্তাজকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সারিঘাটের ডুপি গ্রামের ফয়জুল ইসলামের নামে ব্যবহৃত একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রথম ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চেয়ারম্যানের বক্তব্য

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর গত বুধবার রাতে নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের হলরুমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, দলীয় নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এক ব্রিফিংয়ে ইন্তাজ আলী দাবি করেন, ভাইরাল ভিডিওটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সম্মান ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এটি প্রচার করেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী বলেন, তিনি কোনো ধরনের মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত নন। সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে। ভিডিও পোস্টকারী ব্যক্তির সঙ্গে সালিস–সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্ত কমিটি গঠন

জনপ্রতিনিধি ইন্তাজ আলীর মাদক সেবনের ঘটনা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায় তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা এবং এ ঘটনায় চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে জানা যাবে।