গৃহবধূর মৃত্যু আত্মহত্যা নয়, হত্যাকাণ্ড: স্বামী গ্রেফতার
গৃহবধূর মৃত্যু আত্মহত্যা নয়, হত্যাকাণ্ড: স্বামী গ্রেফতার

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ গোড়ান এলাকায় গৃহবধূ সানজিদা আক্তার মারিয়ার (১৮) মৃত্যুর ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করেছিলেন তার স্বামী সাইফুল ইসলাম (২১)। তবে পুলিশের তদন্তে সেটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রমাণিত হয়েছে। ঘটনার ছয় ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদ্ঘাটন করে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ঘটনার বিবরণ ও পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত

শনিবার (১১ জুলাই) ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ গোড়ানের হাজী মসজিদসংলগ্ন একটি বাসা থেকে গলায় পাটের সুতলি পেঁচানো অবস্থায় সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, শুরুতে সাইফুল ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেন। কিন্তু ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ এবং তদন্তে এটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রমাণ মেলে। এরপর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও স্বীকারোক্তি

ডিসি জানান, এ ঘটনায় নিহতের ভাই চান মিয়া শনিবার খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

পারিবারিক কলহের জের

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সাইফুলের বাবা-মাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, প্রায় এক বছর আগে সানজিদা আক্তার মারিয়া ও সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। মারিয়া লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে সংসারের খরচেও সহায়তা করতেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ