ধর্ষণ মামলা বাড়ার কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ধর্ষণ মামলা বাড়ার কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, আগে ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীরা সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে থানায় মামলা করতে যেত না বা যেতে পারত না। কিন্তু এখন থানায় গেলেই মামলা রেকর্ড করা হয় এবং অনলাইনে জিডি, এফআইআর দায়ের করা যায়। এখানে কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলেই মামলার সংখ্যা বেড়েছে।

সংসদে বক্তব্য

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি মঞ্জুরি ও ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ছাঁটাই প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য দেন। তিনি গণমাধ্যমের খবর উদ্ধৃত করে গত এপ্রিল ও মার্চ মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, ‘পুরো বাজেটের সবটাই যদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেওয়া হয় বা এই মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তারপরও কতটুকু উন্নয়ন হবে, তা আমরা জানি না।’

উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগেও তিনি সংসদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়টি ডাটাসহ তুলে ধরেছেন। খুন, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ডাকাতির সংখ্যা মাসওয়ারী দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্বে আসার পর থেকে সমস্ত ডাটায় ঐতিহাসিকভাবে এগিয়ে আছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ধর্ষণের মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগে ধর্ষণের শিকার হওয়ারা রেকর্ড করতে যেত না থানায় বা পারত না, সামাজিক বা রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে। এখন থানায় গেলেই অথবা অনলাইনে জিডিসহ অন্যান্য কিছু দায়ের করতে পারে। এফআইআর দাখিল করতে পারে। এখানে কোনো ইন্টারফেয়ারেন্স নাই। যার কারণে নম্বরটা একটু ইনক্রিজ হয়েছে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিচারপ্রক্রিয়ায় অগ্রগতি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুখের কথা হলো ধর্ষণ যেখানেই হোক, শিশু হোক, নারী হোক, যে অবস্থাতে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বিভাগ গ্রেফতারসহ চার্জশিট প্রদানের জন্য এবং মামলায় সহযোগিতা করার জন্য সাক্ষী উপস্থাপনসহ ট্রায়ালের সমস্ত ক্ষেত্রে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন দেখা গেছে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, পল্লবী শিশু হত্যার বিচার ১৫ থেকে ১৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা বাংলাদেশের রেকর্ড। এছাড়া তনু হত্যার আসামিদের ডিএনএ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।