আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের ক্রমবর্ধমান মামলার জট কমাতে উচ্চ ও অধস্তন আদালতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারক নিয়োগ দেবে সরকার। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২০তম বৈঠকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সংসদে প্রশ্নোত্তর
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। মাহফুজা হান্নান তার প্রশ্নে জানতে চেয়েছিলেন, উচ্চ ও নিম্ন আদালতে মামলা নিষ্পত্তি দ্রুত করতে অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগের কোনো পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতিসহ বর্তমানে পাঁচজন বিচারক রয়েছেন, আর হাইকোর্ট বিভাগে রয়েছেন ১০১ জন বিচারক।
উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ
“উচ্চ আদালতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সংবিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারক নিয়োগে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে,” বলেন তিনি।
আইনমন্ত্রী আরও জানান, অধস্তন আদালতে বিচারকের ২ হাজার ৬২০টি অনুমোদিত পদ রয়েছে, যার মধ্যে বর্তমানে ১ হাজার ৯৬৪টি পদ পূর্ণ রয়েছে।
অধস্তন আদালতে নিয়োগ প্রক্রিয়া
শূন্য পদ পূরণে ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার মাধ্যমে ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছাড়া, ১৯তম বিজেএস পরীক্ষার মাধ্যমে আরও ১৫০ জন এবং ২০তম বিজেএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনে প্রয়োজনীয় আবেদন পাঠানো হয়েছে। কমিশন এখন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারির কাজ করছে বলে জানান আইনমন্ত্রী।



