বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬ তারিখে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তাকে ইরান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ইউনূস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি ড. ইউনূসকে ইরানের একটি সরকারি সফরের আমন্ত্রণপত্র প্রদান করেন।
কূটনৈতিক আলোচনা ও শান্তির ওপর জোর
বৈঠকে ড. ইউনূস জোর দিয়ে বলেন যে সংলাপ ও কূটনীতি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের একমাত্র পথ। ইউনূস সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, তিনি উল্লেখ করেন যে আঞ্চলিক শান্তি শুধু কাম্য নয়, বরং অঞ্চল এবং সমগ্র বিশ্বের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বের প্রশংসা
রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে পরিচালিত করার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি এই অর্জনের জন্য ড. ইউনূসের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
শোক ও সংহতি প্রকাশ
ড. ইউনূস সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ির মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক পুনর্ব্যক্ত করেন এবং একটি সার্বভৌম nation হিসেবে তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ইরানি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি ইরানের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, তাদের দুঃখে তিনি অংশীদার।
সফরের সম্ভাব্য তাৎপর্য
এই আমন্ত্রণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টায় ড. ইউনূসের সম্ভাব্য ভূমিকার ইঙ্গিত দেয়। ইরানের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এই সফর উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



