সরকার সরকারি ক্রয় (পিপি) কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ, স্বচ্ছ এবং অর্থবহ করার লক্ষ্যে একটি কমিটি পুনঃগঠন করেছে। নতুন এই কমিটির সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ৯ জন করা হয়েছে।
কমিটি পুনঃগঠনের প্রজ্ঞাপন
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে এই বিশেষ কমিটি পুনঃগঠন করে রোববার (৫ জুলাই) প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর আগে গত ১২ মে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (কমিটি ও অর্থনৈতিক) অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দেশের অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সার্বিক কার্যক্রম সংস্কার ও সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে ৯ সদস্যের এই কমিটি পুনঃগঠন করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে এই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ; নৌপরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি; অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার; এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মঈন উদ্দীন আহমেদ।
কমিটির কার্যপরিধি
প্রজ্ঞাপনে কমিটির কার্যপরিধি উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো: অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ; পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (পিপিএ), ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ এর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আওতাভুক্ত অংশ পর্যালোচনাসহ অধিকতর কার্যকর করার বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন; এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কর্তৃক অর্পিত যেকোনো দায়িত্ব পালন।
কমিটির কার্যক্রম ও কার্যকারিতা
কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।



