ঢাবি’র বিরুদ্ধে ফুয়াদের মন্তব্য: ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নোটিশ
ঢাবি’র বিরুদ্ধে ফুয়াদের মন্তব্য: ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নোটিশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিরুদ্ধে ‘সব ফ্যাসিস্ট, টাউট ও ক্রিমিনাল তৈরি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’—এমন বক্তব্যের জন্য বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আমার পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে ও নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

কে পাঠিয়েছেন নোটিশ?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তনয় কুমার সাহা শনিবার (৪ জুলাই) নোটিশ প্রেরণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

কী রয়েছে নোটিশে?

নোটিশে বলা হয়েছে, গত ১ জুলাই ঢাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত “বাঙালি মুসলমানের জাগরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়” শীর্ষক এক আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও অনুষদ সদস্যদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত অবমাননাকর, মানহানিকর ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। এই ধরনের বেপরোয়া ও অবমাননাকর বক্তব্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি, খ্যাতি ও সুনামকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। এসব মন্তব্য লাখ লাখ প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণের মনে গভীর মানসিক কষ্ট, যন্ত্রণা এবং জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দাবি কী?

নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নলিখিত দাবিগুলো পূরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে—

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদানের জন্য ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ;
  • ১ জুলাই প্রদত্ত অবমাননাকর বক্তব্য নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করা;
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক খ্যাতি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা প্রদান করা, যা সরাসরি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিল’-এ জমা দেওয়া হবে, যাতে এটি একাডেমিক উন্নয়ন ও জাতীয় সমৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে বা ৭২ ঘণ্টার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।