খাগড়াছড়িতে শিশু ধর্ষণের দায়ে আসামি শাহিনের মৃত্যুদণ্ড
খাগড়াছড়িতে শিশু ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ড

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে আসামি শাহিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন খাগড়াছড়ি শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (৬ জুলাই) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শায়েলা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দ্রুততম সময়ে রায়

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এটিই প্রথম মামলার রায়। অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ঘটনার মাত্র ১১ মাস ১৪ দিনের মাথায় এ মামলার রায় দেওয়া হলো। মামলা চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জন এবং আসামিপক্ষে তিন জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত এই সিদ্ধান্ত নেন।

ঘটনার বিবরণ

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভিকটিম রামগড়ের একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার দিন দুপুরে মাদ্রাসা ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে নাকাপা বাজারের মিম হোটেলের সামনে পৌঁছালে দোকানদার শাহিন তাকে ডেকে ভেতরে নিয়ে যায়। আসামি পূর্ব পরিচিত ও স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় সম্পর্কসূত্রে নাতিন ডেকে প্রথমে শিশুটিকে দোকানে বসিয়ে বিস্কুট ও কেক খেতে দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দোকান থেকে বের হতে দেরি হওয়ায় ভিকটিমের সহপাঠীরা তাকে রেখে চলে যায়। পরে আসামি শাহিন ভিকটিমকে দোকানের পেছনের অংশে আড়ালে নিয়ে ধর্ষণ করে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় রামগড় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

রায়ের প্রতিক্রিয়া

মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সৃজনী ত্রিপুরা। রায় পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল এত দ্রুত রায় দিয়ে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই রায়ের ফলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা অনেকাংশে কমে আসবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারটি ন্যায়বিচার পেয়েছে।’

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বেদারুল ইসলাম এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ