ফেসবুক থেকে নেওয়া ছবি ব্যবহার করে চাঁদা দাবি ও মানহানির অভিযোগে অনলাইন সংবাদমাধ্যম ফেস দ্য পিপল-এর সম্পাদক ও প্রকাশক সাইফুর সাগর এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদক মোহাম্মদ ইউসুফের বিরুদ্ধে করা মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষে আবু মো. কামরুজ্জামান মামলার আবেদন করেন। আদালত তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বিকেলে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।
তদন্তের নির্দেশ ও প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা
মামলাটি তদন্ত করে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে পিবিআইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আজাদ রহমান। তিনি জানান, আদালত মামলাটি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন এবং দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
বাদীর বক্তব্য ও অভিযোগ
মামলার বাদী কামরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘তারা আমাদের অফিসে এসে অযাচিতভাবে টাকা দাবি করে এবং আমাদের হয়রানির উদ্দেশ্যে অযাচিতভাবে কোনো প্রকার কথা না বলেই ক্যামেরা অন করে ভিডিও করতে থাকে। মাসিকভিত্তিক একটি মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে আমাদের কাছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে নিয়মিত।’
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে আসামিরা মাস্তুল ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে যান। এ সময় প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ না করার শর্তে মাসিক ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মানহানির দাবি ও ক্ষতির পরিমাণ
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, মাস্তুল ফাউন্ডেশন চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন করার হুমকি দেন। পরে গত ২৮ জুন ফেস দ্য পিপলে মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ওই প্রতিবেদনের কারণে প্রতিষ্ঠানটির ২০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।



