সাভার মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৫ জুলাই) সাভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী মো. আবুল হোসেন মোল্লা এই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, তার ও পরিবারের ব্যক্তিগত সাইবার ক্রাইম নিয়ে জিডি করতে গেলে থানা থেকে জানানো হয়, রাইটারকে দিয়ে জিডি লিখিয়ে আনতে হবে এবং এক হাজার টাকার নিচে জিডি করা যাবে না।
অভিযোগের বিবরণ
আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, থানা থেকে তাকে পাশ্ববর্তী রাইটার জাকির হোসেনের কাছে যেতে বলা হয়। জাকির হোসেন প্রথমে জিডি লেখার জন্য ৫০০ টাকা দাবি করেন এবং পরে থানার ডিউটি অফিসারের কাছে জিডি এন্ট্রি করাতে আরও ৫০০ টাকা দিতে হবে বলে জানান। ভুক্তভোগী শেষ পর্যন্ত এক হাজার টাকা দিয়ে জিডি করান। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, থানা ডিউটি অফিসার নির্ধারিত ফরমে বা অনলাইনে বিনামূল্যে জিডি এন্ট্রি করতে পারেন।
রাইটারের বক্তব্য
এ বিষয়ে রাইটার জাকির হোসেন মুঠোফোনে যুগান্তরকে বলেন, তিনি শুধু পরামর্শ দিয়েছেন। অন্য একজন কম্পিউটার কম্পোজ করে টাকা নিয়েছেন, তিনি কোনো টাকা নেননি। তবে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, রাইটার নামধারী ব্যক্তিরা থানার আশেপাশে থেকে পুলিশের সাথে ভাগাভাগি করে টাকা নেন।
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
সাবেক কাউন্সিলর আবু মোল্ল্যা জানান, সাইবার ক্রাইমে জিডি করতে গিয়ে তিনি এই হয়রানির শিকার হন। তিনি বলেন, শুধু তিনি নন, স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ জিডি করতে অনুৎসাহিত হচ্ছেন।
থানার বক্তব্য
সাভার মডেল থানার ওসি (তদন্ত) নুর মোহাম্মদ যুগান্তরকে জানান, এ ধরনের অভিযোগ রাইটারদের বিরুদ্ধে শোনা যায় এবং তাদের সাবধান করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জিডি অনলাইনে বিনামূল্যে করা যায়। কারো বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



