টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর ৮ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল আটটার দিকে সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারস্থলটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনের ফটক থেকে প্রায় ২০ গজ পূর্ব-দক্ষিণে।
নিখোঁজ ও উদ্ধারের ঘটনা
মারা যাওয়া শিশুটি সখীপুর পৌরসভার এক ব্যক্তির মেয়ে। শিশুটি একটি বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেল চারটার পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে আজ সকালে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হত্যার অভিযোগ ও তদন্ত
পৌর এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, ‘লাশের শরীরে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতচিহ্ন আছে। মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে গেছে। ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে আমাদের সন্দেহ। আমরা চাই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনুক।’ মেয়ের মৃত্যুতে শোকাহত বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার মেয়েকে তারা মেরে ফেলেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
পুলিশের বক্তব্য
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এর পর থেকে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা ঠিক হবে না।



