বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ ছাত্রদলের
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ ছাত্রদলের

দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতিতে বন্যাদুর্গত মানুষকে উদ্ধার, জানমালের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সাহায্য বিতরণে নেতাকর্মীদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। শুক্রবার (১০ জুলাই) সংগঠনের দফতর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম সই করা বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ নির্দেশনা দেন।

বন্যা পরিস্থিতি ও নির্দেশনা

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম, খাগড়ছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। টানা বর্ষণ ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এতে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের যেকোনও দুর্যোগে, দুর্বিপাকে কিংবা সংকটে একটি দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। হঠাৎ এই বন্যায় মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় এবং ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় সংগঠনের সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর নেতাকর্মীদের প্রতি নিম্নোক্ত নির্দেশনা দেওয়া হলো–

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনার কাজে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে;
  • গবাদি পশুগুলোকেও নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে হবে;
  • উদ্ধারকাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য প্রতিটি ইউনিটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখতে হবে;
  • স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে;
  • শুকনো কিংবা রান্না করা খাবার, খাবার স্যালাইন, ফিটকিরি-পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রস্তুত রাখতে হবে;
  • যারা বাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যাবেন তাদের বাড়িঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য স্থানীয়দের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

বন্যা পরবর্তী কার্যক্রম

এছাড়া বন্যা পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং এ ক্ষেত্রে নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের অগ্রাধিকার দিতে হবে; দুর্গত এলাকায় চিকিৎসা সহায়তার জন্য মেডিক্যাল টিম গঠন করবে কেন্দ্রীয় সংসদ; বন্যা পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পুনর্নির্মাণসহ যাবতীয় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে; বন্যা পরবর্তী সময়ে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সে জন্য ইউনিটভিত্তিক মেডিক্যাল টিম গঠনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সার্বিকভাবে পুরো বিষয়টি সমন্বয় করবেন। বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর যাবতীয় তথ্য ইউনিটভিত্তিক কেন্দ্রীয় দফতরে পাঠাতে হবে।