কক্সবাজারের ইনানীতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
ইনানীতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক মোহাম্মদ সায়েমের (২২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় একদিন পর রোববার (২৮ জুন) সকালে সৈকত থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে রামুর রেজুখাল ব্রিজ এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

নিহতের পরিচয় ও পরিবার

নিহত সায়েম চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুয়াইশ গ্রামের চৌধুরীবাড়ির বাসিন্দা মুহাম্মদ ইকবালের ছেলে। তিনি হাটহাজারীর বুড়িশ্চর জিয়াউল উলুম কামিল মাদ্রাসার ফাজিল (ডিগ্রি) শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবারের একমাত্র ছেলে সায়েমের তিন বোন রয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে যান সায়েম। শনিবার দুপুরে ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নামলে একপর্যায়ে তিনি সাগরের পানিতে তলিয়ে যান। এরপর থেকেই সি-সেফ লাইফগার্ড, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রোববার সকাল ১০টার দিকে রামুর রেজুখাল ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরিবারের প্রতিক্রিয়া ও আইনি প্রক্রিয়া

নিহতের বাবা মুহাম্মদ ইকবাল জানান, ছেলের মরদেহ গ্রহণের জন্য তারা কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ লোকমান হাকিম বলেন, সায়েমের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহ গ্রামে নিয়ে এসে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিস রেজুখাল ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। ইনানী সমুদ্রসৈকত থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় সাত কিলোমিটার। পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।