ঢাকার নবাবগঞ্জের টিকরপুরে নছিমনের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তা কাজল কুমার রায় নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল সাড়ে আটটায় টিকরপুরে এন মল্লিক ফিলিং স্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় বাসিন্দা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো আজ ভোরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কর্মস্থল এবি ব্যাংকের নবাবগঞ্জের গালিমপুর শাখায় যাচ্ছিলেন কাজল কুমার রায়। টিকরপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি নছিমনের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে যান কাজল।
আহতদের অবস্থা ও মৃত্যু
কাজলের শরীর থেকে দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে নছিমনের চালক ও পথচারীরা তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, অটোরিকশার চালক চোখে ঘুম নিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে সেটি নছিমনের ওপর উঠে যায়। দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে টিকরপুর বাসস্ট্যান্ডে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এ সময় আহত অন্য যাত্রীরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসার জন্য চলে যান।
নিহতের পরিচয়
নিহত ব্যক্তির নাম যে কাজল কুমার রায়, এ তথ্য তাঁর বহন করা ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংকের ভিজিটিং কার্ড ও চালক হিসেবে সনদ দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের সুশীল কুমার রায়ের ছেলে।
ব্যাংকের বক্তব্য
এ বিষয়ে এবি ব্যাংকের গালিমপুর শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশের বক্তব্য
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ প্রথম আলোকে বলেন, দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।



