চাঞ্চল্যকর ইরা ধর্ষণচেষ্টা-হত্যা মামলায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড
ইরা ধর্ষণচেষ্টা-হত্যা মামলায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় আসামি বাবু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের বিস্তারিত

হত্যাকাণ্ডের চার মাসের মাথায় আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় হলো। রায়ে আসামিকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়। আসামি বাবু শেখকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় যাবজ্জীবন এবং ৯ ধারায় আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পৃথক দুটি ধারায় বাবু শেখকে যাবজ্জীবন ও ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

আদালত সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১ মার্চ সীতাকুণ্ডের ইকোপার্ক এলাকায় শিশু ইরাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে বাবু শেখ। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে এবং সবাইকে ঘটনা সবাইকে বলে দেওয়ার কথা বললে বাবু শেখ ছোরা দিয়ে তার শ্বাসনালী কেটে দিয়ে পালিয়ে যায়। শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় হেঁটে রাস্তার দিকে আসতে থাকলে স্থানীয় কিছু শ্রমিক তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। চমেক হাসপাতালে ৩ মার্চ তার মৃত্যু হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইরা ছোট কুমিরা এলাকার টমটম চালক রফিকুল ইসলামের মেয়ে। স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। বাবু শেখ ছিল তাদের প্রতিবেশী। চকলেট কিনে দেওয়ার কথা বলে কুমিরা থেকে বাসে ও পরে হেঁটে তাকে ইকোপার্ক এলাকার পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ভিডিও ভাইরাল ও গ্রেফতার

ধর্ষণচেষ্টা ও ছুরিকাঘাতের আগে বাবু শেখের হাত ধরে হাসিমুখে ইরার হেঁটে যাওয়ার একটি ভিডিও চিত্র ভাইরাল হয়। ওই ভিডিও চিত্র দেখেই পুলিশ বাবু শেখকে গ্রেফতার করেছিল।

মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত একমাত্র আসামি বাবু শেখের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন ১৮ জুন। মাত্র ৬ কার্যদিবসে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত আসামি বাবু শেখকে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজার আদেশ দেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ