সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট, হাইকোর্টে আজ শুনানি
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট, আজ শুনানি

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট, হাইকোর্টে আজ শুনানি

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেনসহ সাত আইনজীবী আবেদনকারী হয়ে গতকাল রোববার এই রিটটি করেন। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের আজকের কার্যতালিকায় রিটটি ৯৬ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। রিটটির ওপর বেলা সোয়া ২টার দিকে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে বলে আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন জানিয়েছেন।

পূর্ববর্তী রায় ও আইন প্রণয়নের পটভূমি

এর আগে সাত আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের জন্য তিন মাসের মধ্যে পৃথক স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে নির্দেশ দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। চলতি মাসের ৭ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ১৮৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়। হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ শিরোনামে গত বছরের ৩০ নভেম্বর অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। একই বছরের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন করা হয়। বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাস করা হয়।

রিটের মূল দাবি ও আইনজীবীদের অবস্থান

সেদিন এক সংবাদ সম্মেলনে রিট আবেদনকারীদের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হবে। এরপর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) আইনের বৈধতা নিয়ে সাত আইনজীবী গতকাল রিটটি করলেন। রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) আইন, ২০২৬ কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল হলে বিচারাধীন অবস্থায় গত বছরের ১১ ডিসেম্বর হতে শুরু হওয়া সচিবালয়ের কার্যক্রম চলমান রাখতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই রিটের মাধ্যমে আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের স্বাধীনতা ও কার্যক্রম রক্ষার দাবি তুলেছেন। হাইকোর্টের আগের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন আইন প্রণয়ন এবং তা চ্যালেঞ্জ করার এই ঘটনা বাংলাদেশের আইনি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আজকের শুনানির ফলাফল আইন ও বিচার বিভাগের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।