শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে
শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছাল

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে

ফেসবুক থেকে নেওয়াইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। আদালত আগামী ৫ মে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ ধার্য করেছেন, যা এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ মোট ১২ বার পেছানোর ঘটনা চিহ্নিত করে।

আদালতের নতুন তারিখ নির্ধারণ

আজ রোববার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল, কিন্তু তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মো. রুকনুজ্জামান এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যা তদন্ত প্রক্রিয়ার বিলম্বকে আরও উল্লেখযোগ্য করে তুলেছে।

হত্যা মামলার পটভূমি

শরিফ ওসমান বিন হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় তাঁকে গুলি করা হয়। এই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান বিন হাদি মারা যান, এবং পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়, যা আইনি প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্ত ও অভিযোগপত্রের বিবরণ

শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলা তদন্ত করে ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গত ৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দিয়েছিল ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। তবে মামলার বাদী এই অভিযোগপত্রের বিষয়ে আদালতে নারাজি আবেদন দেন, যা আদালতকে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিতে বাধ্য করে। এই নির্দেশনা তদন্ত প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করেছে এবং প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ বারবার পিছানোর কারণ হিসেবে কাজ করছে, যা বিচারিক ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।