শরীফ ওসমান হাদির হত্যার অস্ত্র সরবরাহকারী মজেদুলের আদালতে স্বীকারোক্তি
হাদি হত্যার অস্ত্র সরবরাহকারীর আদালতে স্বীকারোক্তি

হাদি হত্যার অস্ত্র সরবরাহকারীর আদালতে স্বীকারোক্তি

শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মজেদুল হক হেলাল, যিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার এই জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন।

পুলিশের রিমান্ড আবেদন ও আদালতের সিদ্ধান্ত

পুলিশ অভিযুক্ত মজেদুলকে আদালতে উপস্থাপন করে তার স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার আবেদন জানায়। এর আগে, বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জসিতা ইসলাম মামলায় তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। এই রিমান্ডের পরই শনিবার তার স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ও মামলার বিবরণ

শরীফ ওসমান হাদিকে ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে ২টার দিকে রাজধানীর বিজয় নগর বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় চলার সময় গুলি করা হয়। ঘটনার দুই দিন পর, ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হাদি ১৮ ডিসেম্বর মারা যাওয়ার পর, ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ ২০ ডিসেম্বর মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দেন। প্রাথমিকভাবে এই মামলাটি হত্যাচেষ্টা হিসেবে দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু হাদির মৃত্যুর পর তা হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

আদালতের প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের সামনে মজেদুল হক হেলালের স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়েছে, যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ সম্ভাব্য অন্যান্য আসামি বা ঘটনার পেছনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। আদালত এখন মামলার অন্যান্য দিক নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। পুলিশ ও আদালতের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।