খান মোহাম্মদ ইকবালের প্রতিবাদ: আদালতের রায় ও পলাতক থাকার অভিযোগ অসত্য দাবি
গত ২৪ মার্চ বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন খান মোহাম্মদ ইকবাল। 'চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ৩২ বছর পলাতক, বিমানবন্দরে চালাচ্ছেন দাপুটে ব্যবসা!' শীর্ষক এই প্রতিবেদনকে তিনি মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বলে অভিহিত করেছেন।
প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু ও ইকবালের দাবি
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে খান মোহাম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির ঘটনায় দুটি ধারায় চার বছর চার মাসের সাজা হয়েছে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন। তবে ইকবাল দাবি করেছেন যে আদালতের রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর। তিনি এই প্রতিবেদনকে তার বিরুদ্ধে একটি অপপ্রচার হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
প্রতিবেদকের জবাব ও প্রমাণ
প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে আদালতের রায়ের কপি তার কাছে সংরক্ষিত আছে। পাশাপাশি, খান মোহাম্মদ ইকবাল দীর্ঘদিন আদালতে উপস্থিত না হওয়ার কারণে আদালত পত্রিকায় নোটিশ দিয়ে তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, সেই নোটিশও প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।
এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার পরিদর্শক নিশ্চিত করেছেন যে 'খান মোহাম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা রয়েছে'। প্রতিবেদক ইকবালের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি বলে জানানো হয়েছে।
সংবাদ প্রকাশের ভিত্তি
সংবাদ প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো মতামত দেওয়া হয়নি। খান মোহাম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে মামলা ও আদালতের রায়ের আদেশের তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাটি আইনি প্রক্রিয়া ও গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।



