আবু সায়েদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক এএসআই আমির হোসেনের আদালতে চিৎকার
আবু সায়েদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক এএসআই আমির হোসেনের চিৎকার

আবু সায়েদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক এএসআই আমির হোসেনের আদালতে চিৎকার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন আদালত প্রাঙ্গণে চিৎকার করে বলেছেন, তিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নির্দেশ মেনে চলেছেন এবং কেন তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পর পুলিশ তাকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি এই চিৎকার শোনা গেছে।

আদালত প্রাঙ্গণে আমির হোসেনের বক্তব্য

আমির হোসেন চিৎকার করে বলেছেন, "আমি একজন পুলিশ কর্মকর্তা, আমি নির্দেশ মেনেছি। কেন আমাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে? আমার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। আমি এই রায় মেনে নিচ্ছি না।" এই সময় তিনি "জয় বাংলা" স্লোগানও দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে তিনি নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেছেন, শুধু তাকেই কেন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর রায়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রংপুরে আবু সায়েদ হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। রায়টি তিন সদস্যের বেঞ্চ দ্বারা দুপুরে ঘোষণা করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার অন্যান্য আসামিদের শাস্তি

এই মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যখন বাকি ২৫ জন বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড পেয়েছেন। রায়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের গুরুত্ব এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আমির হোসেনের এই প্রতিক্রিয়া আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত সাংবাদিক এবং দর্শকদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যা এই মামলার জটিলতা এবং আসামিদের অবস্থানকে আরও উন্মোচিত করেছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ তার এই আচরণ নিয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও, ঘটনাটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা এবং দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।