সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আবুল হাসানকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাসানকে অব্যাহতি

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাসানকে অব্যাহতি: আইন ও বিচার বিভাগের বিজ্ঞপ্তি জারি

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাসানকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর উইং সোমবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে তার নিয়োগ বাতিলের ঘোষণা দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাসানের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগাদেশ বাতিল করা হয়েছে এবং তিনি তাত্ক্ষণিকভাবে এই পদটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

আইন বিভাগের পদত্যাগ ও অব্যাহতির ঘটনা

এদিকে, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োজিত আরও দুই আইনজীবী পদত্যাগ করেছেন। মো. মুজাহিদুল ইসলাম এবং আহমদ মুসান্না চৌধুরী গত বৃহস্পতিবার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। তারা ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা গেছে।

এই পদত্যাগ এবং অব্যাহতির ঘটনা আইন বিভাগে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদটি সরকারি আইনি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আবুল হাসানের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে এবং তিনি অবিলম্বে দায়িত্বমুক্ত হয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনজীবীদের নিয়োগ ও পদত্যাগ প্রক্রিয়া

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ সাধারণত সরকারের আইনি পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করার জন্য দেওয়া হয়। এই পদে নিয়োগ ও বাতিলের ক্ষেত্রে আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর উইং সরাসরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে থাকে। এবারের ঘটনায়, আবুল হাসানের অব্যাহতির পাশাপাশি মুজাহিদুল ইসলাম এবং আহমদ মুসান্না চৌধুরীর পদত্যাগ আইন বিভাগের কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে পদত্যাগ করা এই দুই আইনজীবীর সিদ্ধান্ত আইন পেশায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আইন বিভাগের সূত্রমতে, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ ও পদত্যাগের মতো ঘটনাগুলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে একসাথে একাধিক পরিবর্তন ঘটলে তা বিশেষ নজর কাড়ে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আইন ও বিচার বিভাগ এই অব্যাহতি এবং পদত্যাগের বিষয়ে কোনো অতিরিক্ত মন্তব্য করেনি। তবে, বিভাগীয় বিজ্ঞপ্তিতে আবুল হাসানের দায়িত্বমুক্তির বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আইন পেশার সাথে জড়িতরা মনে করছেন, এই পরিবর্তনগুলো ভবিষ্যতে আইন বিভাগের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে।