সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আবুল হাসানের নিয়োগ বাতিল, অব্যাহতি প্রদান
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ বাতিল, অব্যাহতি

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আবুল হাসানের নিয়োগ বাতিল ও অব্যাহতি

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবুল হাসানের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ বাতিল করে তাঁকে ওই পদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশ অনুসারে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি–পিপি শাখা) থেকে আজ সোমবার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্টের স্মারকে দেওয়া নিয়োগ আদেশটি বাতিল করা হয়েছে এবং এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নিয়োগ বাতিলের প্রক্রিয়া ও প্রভাব

মো. আবুল হাসানকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল গত বছরের ২৮ আগস্ট। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে এই নিয়োগটি বাতিল করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবুল হাসান…এর সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে এ বিভাগের ২০২৪ সালের ২৮ আগস্টের স্মারকে দেওয়া নিয়োগ আদেশ বাতিল করে তাঁকে ওই পদের দায়িত্ব হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।" এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে কর্মরত ব্যক্তিদের সংখ্যা হ্রাস পেতে পারে।

অন্যান্য সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের পদত্যাগ

এই ঘটনার আগে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত আরও দুই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছিলেন। আহমদ মুসাননা চৌধুরী ও মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ২ এপ্রিল অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। তাদের পদত্যাগের আগে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা ছিল ২৩০ এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা ছিল ১০৩। এই পদত্যাগ ও নিয়োগ বাতিলের ফলে কার্যালয়ের কর্মী কাঠামোতে পরিবর্তন আসতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইন মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ এই প্রজ্ঞাপন জারি করার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির আদেশ বাস্তবায়ন করেছে। এটি আইন বিভাগের নিয়োগ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্তগুলি সরকারি কার্যালয়গুলির দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হতে পারে। তবে, নিয়োগ বাতিলের পেছনে নির্দিষ্ট কারণগুলি এখনও স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি, যা ভবিষ্যতে আরও আলোচনার জন্ম দিতে পারে।