ইউনূসসহ ২৪ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্ত ও দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞার দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ
ইউনূসসহ ২৪ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্ত ও দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞার দাবি

ইউনূসসহ ২৪ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্ত ও দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞার দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ মোট ২৪ জন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্ত এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলাম এই নোটিশ পাঠান।

হামের প্রাদুর্ভাব ও টিকাদান কর্মসূচির অভিযোগ

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, দেশে হামের মারাত্মক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে এবং এতে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে আরও অনেক শিশু ও সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, টিকাদান কর্মসূচি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার বাইরে বেসরকারি খাতে স্থানান্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘অবৈধ বা অশুভ কর্মকাণ্ড’ জড়িত থাকতে পারে—এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটি গঠন ও দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞার আহ্বান

নোটিশে বলা হয়েছে, তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে এবং একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। এতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারি দপ্তরে নোটিশ পাঠানো ও সময়সীমা

নোটিশে আরও বলা হয়, ক্যাবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং ৫ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই লিগ্যাল নোটিশটি সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে, যা স্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তদন্তের দাবিকে তুলে ধরছে। ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলামের এই পদক্ষেপটি জনস্বাস্থ্য ও জবাবদিহিতার বিষয়ে একটি আইনি চাপ সৃষ্টি করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।