শিশির মনিরের আহ্বান: প্রধানমন্ত্রীকে হাওড়াঞ্চল পরিদর্শনের অনুরোধ
প্রধানমন্ত্রীকে হাওড়াঞ্চল দেখার অনুরোধ শিশির মনিরের

হাওড়াঞ্চলের কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিশির মনিরের জরুরি অনুরোধ

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে হাওড়াঞ্চল সরেজমিনে পরিদর্শন করে জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার দৌলতপুরের বাসিন্দা শিশির মনির শুক্রবার সকালে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করে এই আহ্বান জানান।

চিঠিতে উল্লেখিত মূল বক্তব্য

শিশির মনির তার চিঠিতে লিখেছেন, ‘আমি জানি না এই চিঠি আপনার দৃষ্টিগোচর হবে কিনা! তথাপি বুক ভরা আশা নিয়ে আপনাকে লিখছি। আমরা হাওড়পাড়ের মানুষ। একটিমাত্র ফসলই আমাদের জীবন। সেই ফসল জলাবদ্ধতার কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ আশপাশের এলাকায় বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা দ্রুত সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সুপারিশ

চিঠিতে শিশির মনির প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি সম্বোধন করে কয়েকটি সুপারিশ পেশ করেছেন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • প্রধানমন্ত্রী যেন হেলিকপ্টারে করে হাওড়াঞ্চল একবার ঘুরে আসেন এবং স্থানীয় পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখেন।
  • দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর সদস্যদের কাজে লাগিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনের কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
  • খাল খনন কর্মসূচি জোরদার করা, বিশেষ করে দিরাই-শাল্লা এলাকায়, যেখানে অপরিকল্পিত বাঁধের কারণে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

তিনি তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বাবা এবং বর্তমান সরকারের খাল খনন কর্মসূচির সাফল্যের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন, আশা প্রকাশ করেন যে প্রধানমন্ত্রী এই সংকট সমাধানে সক্ষম হবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া

শিশির মনিরের এই খোলা চিঠি ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক ব্যবহারকারী তার এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে এই আহ্বানকে সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

হাওড়াঞ্চলের জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা, যা কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। শিশির মনিরের এই চিঠি সরকারের উচ্চপর্যায়ে এই ইস্যুটি পুনর্বিবেচনার জন্য একটি জোরালো আবেদন হিসেবে কাজ করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।