ছাত্র আন্দোলনে গুলি মামলায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতার গ্রেফতার আদেশ
ছাত্র আন্দোলনে গুলি মামলায় ছাত্রলীগ নেতার গ্রেফতার আদেশ

ছাত্র আন্দোলনে গুলি মামলায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতার গ্রেফতার আদেশ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক তরিকুল ইসলাম তারেককে পুনরায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৫ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফের গ্রেফতারের এ আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশনা ও আইনি প্রক্রিয়া

কাফরুল থানার উপ-পরিদর্শক মো. রিয়াজুল ইসলাম আসামিকে আদালতে হাজির করে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামিপক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানান, তরিকুল ইসলাম তারেক এর আগে কাফরুল থানার অপর একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। বর্তমান মামলাটি স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

মামলার পটভূমি ও অভিযোগের বিবরণ

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মিরপুর-১০ এলাকায় আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা অতর্কিত হামলা এবং গুলি চালায়। ঘটনার দিন ১৯ জুলাই, মামলার বাদী শাহ আলী প্লাজা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এ সময় আত্মরক্ষার জন্য দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বাদীর পেটের ডান পাশে দুটি গুলি লাগে, যা পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বশির উদ্দিন ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর কাফরুল থানায় মামলা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের এই সিদ্ধান্ত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে, এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।