রাকিবুল ইসলাম হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের দাবি, পাঁচ ব্যক্তি গ্রেপ্তার
রাকিবুল ইসলাম হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের দাবি

রাকিবুল ইসলাম হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের দাবি

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় রাকিবুল ইসলাম হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে, হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলসহ পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে, এই বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার বিবরণ

গত রোববার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে রাকিবুল ইসলাম নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাত সোয়া ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিবুল। এ সময় কয়েকজন যুবক এসে তাঁকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি করেন। পরে তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে তাঁরা পালিয়ে যান। এই হামলার সময় উপস্থিত লোকজন হামলাকারীদের একজনকে চাপাতিসহ ধরে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন।

গ্রেপ্তার ও তদন্ত

রাকিবুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় তাঁর পরিবার ইতিমধ্যে মামলা করেছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, তারা এই মামলার তদন্তে অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং পাঁচ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পুলিশ এখন আরও গভীর তদন্ত চালাচ্ছে এবং ঘটনার পেছনের সম্ভাব্য কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাকিবুল ইসলামের পরিচয়

রাকিবুল ইসলামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলায়। তাঁর বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন। রাকিবুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের একজন কর্মচারীর সন্তান ছিলেন। তিনি রাজধানীর বোরহানুদ্দীন পোস্টগ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডে তাঁর পরিবার ও আত্মীয়স্বজন গভীর শোকে নিমজ্জিত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের এই গ্রেপ্তার ও রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে, বিস্তারিত তথ্য ও তদন্তের ফলাফল প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।