নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ফারিহা নিট টেক্স কারখানা থেকে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে কারখানার একটি তালাবদ্ধ গুদামঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিচয়
নিহত ইদ্রিস আলী (৪৩) ওই কারখানার টেক্সটাইল বিভাগের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।
ঘটনার বিবরণ
কারখানা সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে কর্মীরা তালাবদ্ধ গুদামঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ইদ্রিস আলীকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, সোমবার সন্ধ্যায় অফিস শেষে ইদ্রিস বাড়ি ফেরেননি। সহকর্মীরা তাকে ফোন করলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরিবারের সন্দেহ
নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার আত্মহত্যার সম্ভাবনা নাকচ করে দাবি করেন, তার স্বামী ধার্মিক ও মানসিকভাবে স্থিতিশীল ছিলেন এবং কোনো ধরনের মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন না। তিনি হত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
কর্মীদের বিক্ষোভ
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ কর্মীরা কারখানার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এবং ন্যায়বিচার ও তদন্তের দাবি জানান। অনেকে দাবি করেন, ইদ্রিস আলীকে হত্যা করা হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।



