বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পাওয়ার লড়াইয়ে নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। ম্যাচের শুরুতে লিড নেওয়ার সুযোগ পায় সেলেসাওরা। তবে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারায়েস। অন্যদিকে, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে আলিং হালান্ডের গোলে লিড নেয় নরওয়ে।
প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস
ম্যাচের ৪ মিনিটেই ব্রাজিলের জালে বল জড়ায় নরওয়ে। তবে গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। এরপর ১১ মিনিটে বক্সের ভেতর ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে যান ম্যাথউস কুনহা। তবে মুহূর্তেই স্লাইডিং ট্যাকলে তাকে থামিয়ে দেন ক্রিস্টোফার আয়ের। কুনহা সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে পড়ে পেনাল্টির জোরালো দাবি তোলেন। রেফারি প্রথমে সেটি নাকচ করলেও পরে ভিএআর যাচাইয়ের পর মনিটর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। তার শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড।
গোলশূন্য প্রথমার্ধ
পেনাল্টি মিসের পর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা চলতে থাকে। ম্যাচের ৪০ মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ তৈরি করে ব্রাজিল। ডি বক্সের ভেতর থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নেওয়া শট সেভ করেন নরওয়ে গোলকিপার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে নরওয়ের একটি আক্রমণ ঠেকিয়ে ব্রাজিলকে রক্ষা করেন অ্যালিসন। এতে গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু'দল।
দ্বিতীয়ার্ধে হালান্ডের গোল
বিরতি থেকে ফিরে গোলের লক্ষ্যে একের পর আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। উল্টো ম্যাচের ৭৯ মিনিটে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন হালান্ড। এই গোলেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়। ১-০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল নরওয়ে। অন্যদিকে, এই হারের ফলে ব্রাজিলের সামনে কোয়ার্টার ফাইনালের পথ কঠিন হয়ে পড়ল।



