আনিসুল হকের অস্ত্র মামলায় শুনানির তারিখ পিছিয়ে ২১ জুন
আনিসুল হকের অস্ত্র মামলায় শুনানি পিছিয়ে ২১ জুন

রাজধানীর বনানী থানার অস্ত্র আইনে দায়ের করা এক মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ২১ জুন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

রবিবার (১০ মে) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী আসিফসহ অন্যরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। শুনানিতে তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় আসামির বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় আসামির অস্ত্রটি খুঁজে পাওয়া যায়নি মর্মে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। তবে সেই জিডির কপি এখনও হাতে পাননি বলে আদালতকে অবহিত করে সময়ের আবেদন জানান তারা।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী চার্জ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২১ জুন দিন ধার্য করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। স্থগিত লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই সময়ের মধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ থানায় জমা না দিলে তা অবৈধ অস্ত্র হিসেবে গণ্য করে অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আনিসুল হক তার একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিজে অথবা অন্য কোনও প্রতিনিধির মাধ্যমে বনানী থানা বা অন্য কোনও থানায় জমা দিয়েছেন কিনা, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তিনি থানাকে অবহিতও করেননি। তার অস্ত্রের লাইসেন্সে উল্লেখিত ঠিকানায় উপস্থিত হয়ে বাসায় কাউকে পাওয়া যায়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ ঘটনায় গত ২৪ মে অস্ত্র আইনের ১৯(১) ধারায় আনিসুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বনানী থানার উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. জানে আলম দুলাল।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পালানোর সময় রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।