পাকিস্তানজুড়ে গত বছরের মে মাসে ভারতের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে দেশটির ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ এবং পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব স্মরণ করতে ‘মারকা-এ-হক’-এর প্রথম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠান ও র্যালির আয়োজন করা হয়েছে।
‘মারকা-এ-হক’ কী?
‘মারকা-এ-হক’ (সত্যের লড়াই) বলতে ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে চলা ১৯ দিনের সামরিক সংঘাতকে বোঝানো হয়। গত বছরের ৬ ও ৭ মে ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার জের ধরে ভারত পাকিস্তানের ওপর উসকানিমূলক হামলা চালায়। পালটা জবাবে ৮৭ ঘণ্টার তীব্র লড়াইয়ে পাকিস্তান ফ্রান্সের তৈরি রাফালসহ ভারতের আটটি যুদ্ধবিমান এবং কয়েক ডজন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে। পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশের এ যুদ্ধ গত বছরের ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
বিজয় উদযাপনের ছবি
রাজধানীতে ‘মারকা-এ-হক বুনিয়ান-উল-মারসুস’ বিজয়ের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বৈদ্যুতিক বাসগুলোতে লাগানো হয়েছে বিশেষ পোস্টার। ‘মারকা-এ-হক’-এর প্রথম বার্ষিকী স্মরণে ব্যবসায়ীদের র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। জশনে মারকা-এ-হক র্যালিতে অংশ নিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
বিভিন্ন শহরে আয়োজন
সারগোধা আর্টস কাউন্সিলে ‘মারকা-এ-হক বুনিয়ান-উল-মারসুস’ বিজয়ের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের বিশেষ নাটিকা পরিবেশন করা হয়। মুলতানে ‘সোসাইটি ফর স্পেশাল পারসনস’-এর ব্যানারে ‘মারকা-এ-হক’ স্মরণ এবং পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিশেষ সক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সারগোধা আর্টস কাউন্সিলে কমিশনার হাফিজ শওকত আলীর নেতৃত্বেও র্যালি হয়।
ইসলামাবাদের ডি-চকে ‘মারকা-এ-হক বুনিয়ান-উল-মারসুস’ বিজয়ের এক বছর পূর্তি উদযাপন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। শহরের পাঞ্জ সার্কি এলাকার মোড়ে স্থাপিত এক সেনাসদস্যের ভাস্কর্যের দিকে তাকিয়ে আছে এক কিশোর। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস’-এর প্রথম বার্ষিকী। ইসলামাবাদ এক্সপ্রেসওয়ের গ্রিন বেল্টে ডিজিটাল বিলবোর্ডের পাশ দিয়ে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। ‘অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস’-এর প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে সাজানো হয়েছে রাজধানী।



