মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার ইস্কাটনে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঘোষণা দেন, অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, 'অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করবো এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। তারা যে বেআইনি সুবিধাগুলো নিয়েছেন সেই জন্যও তাদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবো।'
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের অপসারণের আহ্বান
একই সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, 'বিগত সময়ে অমুক্তিযোদ্ধাদের বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটা অনৈতিক ও বেআইনি। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি যে, আমরা সেসব অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করবো এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।'
স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে শাস্তি কমতে পারে
অমুক্তিযোদ্ধাদের স্বেচ্ছায় তালিকা থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'যারা অমুক্তিযোদ্ধা তাদের বলবো আপনারা এখনই স্বেচ্ছায় এই তালিকা থেকে রিজাইন করুন। সেক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা অবশ্যই কমতে পারে। আর আমরা যখন চিহ্নিত করবো তখন কিন্তু শাস্তির মাত্রা যত থাকে ততই হবে।' তিনি আরও জানান, দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বন্ধ হবে না।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের গঠনতন্ত্র পর্যালোচনার কাজ চলছে উল্লেখ করে আহমেদ আযম খান বলেন, 'আমাদের নেতা নয়ন জাহাঙ্গীর, সাদেক খান মন্ত্রণালয়ে গঠনতন্ত্র জমা দিয়েছেন। আমি ব্যস্ত থাকি, গঠনতন্ত্র আমাকে একটু পড়তে হবে। এজন্য আমাকে একটু সময় দেন। জুন মাস শেষের মধ্যে কাউন্সিল করতে হবে এবং এক মাস আগে কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মে মাসের মধ্যেই সব ব্যবস্থা করতে হবে।'
সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়করা উপস্থিত ছিলেন।



