সাংবাদিক শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপার জামিন শুনানি পিছিয়েছে
সাংবাদিক শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপার জামিন শুনানি পিছিয়েছে

একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক বার্তাপ্রধান শাকিল আহমেদ ও সাবেক প্রধান প্রতিবেদক-উপস্থাপক ফারজানা রুপার জামিন আবেদনের ওপর আদেশ পিছিয়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দুই সপ্তাহ সময় মঞ্জুর করেন।

পটভূমি

এর আগে ছয় মামলায় শাকিল আহমেদ এবং সাত মামলায় ফারজানা রুপা অধস্তন আদালতে ব্যর্থ হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথকভাবে ১৩টি জামিন আবেদন করেন। আবেদনের শুনানি নিয়ে ২১ এপ্রিল হাইকোর্ট আদেশের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

আদালতে শাকিল ও ফারজানার পক্ষে আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল জানান, শাকিল ও ফারজানা পৃথক ১৩টি জামিন আবেদন করেছিলেন, যা আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ ছিল। তবে মামলাসংশ্লিষ্ট কিছু কাগজপত্র ও তথ্যাদি সংগ্রহ করে দাখিলের জন্য এক মাসের সময় চাওয়া হয়। আদালত দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছেন। দুই সপ্তাহ পর আবেদনগুলো আদেশের জন্য কার্যতালিকায় আসবে।

মামলার বিবরণ

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ১৩টি মামলার মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার ৪টি, মিরপুর থানার ১টি ও তেজগাঁও থানার ১টি—এই ছয় মামলায় শাকিল ও ফারজানা দুজনই আসামি। এই ছয় মামলায় তাঁরা ছয়টি করে পৃথক ১২টি জামিন আবেদন করেন। এ ছাড়া ফারজানা রুপার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানার অপর এক মামলায় জামিন চেয়ে তিনি পৃথক আবেদন করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেপ্তারের ঘটনা

শাকিল আহমেদ বার্তাপ্রধান হিসেবে ও ফারজানা রুপা প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনে কাজ করছিলেন। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২১ আগস্ট তাঁদের ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর উত্তরায় ফজলুল করিম নামের একজনের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁদের কয়েক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তাঁরা কারাগারে আছেন।