ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে (২৬) আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে (৪৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
আদালতের নির্দেশ
সোমবার (২৭ এপ্রিল) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেফতার
এর আগে রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুদীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ঘটনার বিবরণ
ওইদিন সকালে বাড্ডা খানা এলাকার উদয় ম্যানসন রোডের বাসায় মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা (৬২) তার মেয়েকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে মৃত অবস্থায় নামিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। একইদিন বাবা বাড্ডা থানায় সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মিমোকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার অভিযোগ
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মিমোর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দেখে বাদীর মনে হয় যে, আসামি ড. সুদীপ চক্রবর্তীর সাথে মিমোর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। আসামি ও বাদীর মেয়ে রোববার (২৭ এপ্রিল) রাত ১টায় ভিডিও কলে কথাবার্তা বলেছেন। উক্ত কথোপকথনের প্রেক্ষিতে বাদীর মেয়ে আসামির দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।



