বরিশাল নগরীতে প্রেমিকের বাসা থেকে প্রেমিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে প্রেমিকের খোঁজ মিলছে না। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর মুন্সিগ্রেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম জানান, ঝালকাঠি শহরের কাটপট্টি এলাকার বাসিন্দা মিল্টন আকনের ছেলে হিমুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কলাপাড়া উপজেলার শাহিন হাওলাদারের মেয়ে সানজিদা কবির আনিতার। এরা দুজনেই বরিশাল নগরীতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে নগরীর মুন্সিগ্রেজ বরইতলা গলির রাফি মঞ্জিলে হিমুর বাসায় দেখা করতে আসেন আনিতা। দুপুর দেড়টার দিকে আনিতাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় হিমু। হত্যাকারীকে ধরতে অভিযান চলছে।
পূর্বের ঘটনা
একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, এর আগেও ঝালকাঠিতে এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করে তাকে হত্যা করে এই হিমু। ঐ ঘটনায় হিমুর বিরুদ্ধে ঝালকাঠি আদালতে হত্যা মামলা চলমান আছে।
পরিবারের বক্তব্য
হিমুর মা জাহানারা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে আনিতার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে আমাদের বাসায় আসে আনিতা। দুপুর দেড়টার দিকে হিমুর রুমে আনিতার লাশ দেখে ভয় পেয়ে যাই। তখন হিমু বাসা থেকে পালিয়ে গেছে।’
আনিতার বড় বোন বলেন, ‘এই বার নার্সিং কলেজে ভর্তি হয়েছিল আমার বোন। সেই কারণে বরিশালে থাকত আনিতা। হিমুর সঙ্গে কয়েক মাস আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় আনিতা। বৃহস্পতিবার সকালে বাসা থেকে হিমুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বের হয়। এরপর দুপুরে খবর পাই আমার বোনকে হত্যা করা হয়েছে।’ এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি করেছেন তিনি।



