আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির জীবদ্দশায় দেওয়া জবানবন্দি ‘এভিডেন্স’ (সাক্ষ্য–প্রমাণ) হিসেবে গ্রহণ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার এই জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।
জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ প্রথম আলোকে বলেন, ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর ওসমান হাদি জীবদ্দশায় জবানবন্দি দিয়েছিলেন। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ইনকিলাব মঞ্চে বসে তিনি এই সাক্ষ্য দেন। মৃত্যুর পর তাঁর জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করার আবেদন অনেক আগেই করা হয়েছিল এবং তা মঞ্জুরও হয়েছিল। আজকে এটা সাক্ষ্য হিসেবে ট্রাইব্যুনাল গ্রহণ করলেন।
ওসমান হাদির মৃত্যু
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ১৮ ডিসেম্বর মারা যান।
মামলার আসামিরা
ওবায়দুল কাদের ছাড়া এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। এ মামলার সব আসামিই পলাতক।



