শিশু রামিসা হত্যা মামলায় রায়ে সন্তোষ স্বজনদের
শিশু রামিসা হত্যা মামলায় রায়ে সন্তোষ স্বজনদের

রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার স্বজন ও এলাকাবাসী। রায় ঘোষণার পর মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের মধ্যম শিয়ালদির মোল্লাবাড়িতে রামিসার গ্রামের বাড়িতে আসছেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। সেখানেই রামিসাকে দাফন করা হয়েছে। তারা দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন।

১৯ দিনের মাথায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার মামলার রায়ের খবরে স্বজনরা ছুটে আসেন গ্রামের বাড়িতে। নিহত রামিসার ফুপু রিনা বেগম বলেন, ‘এটি চরম বেদনাদায়ক ঘটনা। এরকম কত নারী ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। ধর্ষণ করে মেরেই ফেলছে। এই রায়ে ফাঁসি হলেই হবে না, তা যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়– সরকারের কাছে সেই দাবি জানাই।’

স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ বলেন, ‘এটি সঠিক একটি রায় হয়েছে। রায় হলেই হবে না, কার্যকর হওয়া প্রয়োজন। আমাদের দেশে তো বিচারে রায় হয়ে থাকে, কিন্তু সেই রায় কার্যকর হতে সময় লাগে। আমি দ্রুত কার্যকরের দাবি জানাই।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিশু রামিসার মামাতো ভাই ইকবাল হাসান বলেন, ‘এই ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া, রায় ঘোষণায় কিছুটা হলেও ভালো লাগছে।’

গত ১৯ মে ঢাকার মিরপুরের একটি বাড়িতে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় শিশু রামিসাকে। এ ঘটনায় রবিবার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন আদালত। পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ ও স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর এলাকায় স্বস্তি ফিরলেও দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জোরালো হয়েছে। স্বজনরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর শাস্তি ও দ্রুত বিচার কার্যকর হওয়া জরুরি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ