কুমিল্লায় আকস্মিকভাবে সরকারি বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন করেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। সোমবার সকালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের শীর্ষ তিন প্রকৌশলীকে উপস্থিত না পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন।
সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি
অন্যদিকে, জেলা সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সব কর্মকর্তাকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত পেয়ে তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন রেকর্ড রুম তৈরির ঘোষণা দেন এমপি। কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি মো. মনিরুল হক চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আনোয়ার হোসেন জানান, এমপি ঈদুল আজহার পর প্রথম কর্মদিবসে আকস্মিকভাবে কুমিল্লা জেলা সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয় পরিদর্শন করেন। তিনি দলিল লেখকদের পেশাগত মান বৃদ্ধি ও স্পষ্ট বানানে লেখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে অনুপস্থিতি
বেলা ১১টায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পরিদর্শন করেন এমপি। এখানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, কুমিল্লা বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী, প্রাক্কলনিকসহ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অনুপস্থিতি দেখা যায়। তিনি হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে কর্মচারীরা তড়িঘড়ি করে স্বাক্ষর করেন। একজন কর্মচারীকে পাওয়া যায়, যিনি ঈদের আগে চার কর্মদিবসের স্বাক্ষর একসঙ্গে করছিলেন। বিষয়টি এমপি তাৎক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
সরেজমিন দেখা যায়, বেলা ১১টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি, সাধারণ শাখা অপরিচ্ছন্ন ছিল এবং সরকারি অফিসের একটি কক্ষে গবাদি পশু রাখা ছিল।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শফিউল হক জানান, প্রাক্কলনিক তারেক মোল্লা ছুটিতে আছেন। তিনি বলেন, 'আমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এখানেও অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। আমি গাড়িতে কুমিল্লা অফিসে আসছি। জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার জন্য দুঃখিত।'



