পল্লবী শিশু রামিসা হত্যা: ৪৭ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল
পল্লবী শিশু রামিসা হত্যা: ৪৭ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মাত্র পাঁচ দিনের তদন্ত শেষে ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। চার্জশিটে উঠে এসেছে শিশু রামিসা হত্যার ভয়াবহতা। রোববার (২৫ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রের মূল বিবরণ

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানা (৩০) রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার পর আলামত নষ্ট করে। সোহেলকে বাঁচাতে মিথ্যা তথ্য দেয় এবং আলামত নষ্টে সহযোগিতা করে তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন (২৬)। সোহেলের জবানবন্দিতে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহও উঠে এসেছে।

ঘটনার দিনের বিবরণ

জবানবন্দিতে বলা হয়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাশের বাসার রামিসাকে দেখতে পেয়ে সোহেল তাকে ডেকে নেন। শিশুটি ঘরে এলে সে তাকে বাথরুমে নিয়ে যান। রামিসা চিৎকার করলে সোহেল তার মুখ চেপে ধরেন এবং মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে ধর্ষণ করেন। সোহেল জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সবাই যখন রামিসাকে খুঁজছিল, তখন তার মা আমার ঘরের সামনে রামিসার জুতো দেখতে পান। তিনি রামিসাকে ডাকতে থাকেন। কোনো সাড়া না পেয়ে লোকজন আমার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পলায়নের কৌশল

তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী আমাকে পালিয়ে যেতে বলে। আমি রেঞ্জ দিয়ে জানালার গ্রিল ভেঙে ফেলি। লোকজন যখন দরজায় সমানে ধাক্কা দিচ্ছিল, তখন আমার স্ত্রী দরজা চেপে ধরে রেখে আমাকে পালাতে সাহায্য করে।’ এছাড়া সোহেল পালিয়ে যাওয়ার পরই তার স্ত্রী দরজা খুলে দেয় বলে জবানবন্দিতে জানানো হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ