পবিপ্রবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, উপাচার্য অপসারণের দাবি
পবিপ্রবিতে বিক্ষোভ: শিক্ষক হামলার বিচার ও উপাচার্য অপসারণ দাবি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার বিচার এবং উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টায় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলপরবর্তী অবস্থান কর্মসূচি

মিছিল শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ সময় বক্তব্য দেন অধ্যাপক বদিউজ্জামান, অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান প্রমুখ। বক্তারা শিক্ষকদের ওপর হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

শিক্ষার্থীদের অবস্থান

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনি বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা বর্তমান উপাচার্যকে কোনোভাবেই আর মেনে নেবে না। একই সঙ্গে শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষক নেতাদের বক্তব্য

পবিপ্রবির ডিন কাউন্সিলের কনভেনর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, উপাচার্য অপসারণ ও হামলাকারীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে।

পুলিশের বক্তব্য

এ বিষয়ে দুমকি থানার ওসি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, গত ১১ মে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে পবিপ্রবির শিক্ষকদের ওপর হামলা চালায় দুমকি উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফের নেতৃত্বে বহিরাগতরা। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুকিত মিয়া বাদী হয়ে বিএনপির ২৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। একই সঙ্গে বিচার নিশ্চিত ও উপাচার্য অপসারণের দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এছাড়া বন্ধ রয়েছে ক্লাস কার্যক্রম।